বিষাক্ত মাদকের অন্ধকার গলি
মাদক দ্রব্য কি?
উঃ সাধারনত যে সকল দ্রব্য সামগ্রী গ্রহন বা
ব্যাবহার করলে নেশা সৃষ্টি হয় তাকে মাদক দ্রব্য বলে।অন্য কথায় যেসব দ্রব্য
মস্তিষ্কের উপর বিরূপ ক্রিয়া করে আচরনের অনাকাং্খিত পরিবর্তনন ঘটায় এবং যা
বিভ্রান্তি ও নেশা সৃষ্টিকারী এবং চিত্তবিভ্রমকারী সেগুলোই হলো মাদক
দ্রব্য।
মাদক দ্রব্যের প্রকারভেদঃ
*প্রাকৃতিক মাদক দ্রব্য ও
*রাসায়নিক মাদক দ্রব্য।
*প্রাকৃতিক মাদক দ্রব্যঃ
প্রাকৃতিক উপায়ে যে সমস্ত মাদক দ্রব্য উতপন্ন হয় তাই প্রাকৃতিক মাদকদ্রব্য। প্রাকৃতিক মাদকদ্রব্য প্রধানত গাছ-গাছড়া থেকে পাওয়া যায় যেমন -আফিম, তাড়ি,গাজা ইত্যাদি।
রাসায়নিক মাদকদ্রব্য ঃ
পরিক্ষাগারে রারসায়নিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ার মাধ্যমে যে মাদক দ্রব্য উতপন্ন করা হয় সেগুলোই হল রাসায়নিক মাদক দ্রব্য।রাসায়নিক মাদক দ্রব্য প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপন্ন মাদক দ্রব্যের ছেয়ে বেশী নেশা সৃষ্টিকরে।যেমনঃ হেরোইন, প্যাথেডিন, মদ,এল এস ডি ইত্যাদি।
মাদকাসক্তি কাকে বলে?
মাদকদ্রব্য মাযে মধ্যে বা নিয়মিত সেবন বা গ্রহনের ফলে যেসব মানসিক ও শারীরীক নির্ভরতা সৃষ্টি হয় ও ক্রমাগত সেই দ্রব্যের প্রতি তীব্র আকর্ষণ ও গ্রহনের মাত্রা বা ডোজ বৃদ্ধি পেতে থাকে সেই অবস্থা কেই মাদকাসক্তি বলা হয়। মাদকাসক্তি যে কত তীব্রভাবে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি, ব্যাক্তিত্য ও ইচ্ছাশক্তির ক্ষতি সাধন করতে পারে তা কল্পনা করলে ও গা শিঊরে উঠবে।মাদকাসক্তি সম্ভাবনাময় সৃজনশীল কর্মচঞ্চল মেধাবী তারুণ্যকে ধ্বংস করে দেয়। পুরো জাতিকে নিক্ষেপ করে এক ঘন কালো অন্ধকারে। মাদকাসক্তির সাথে ড্রাগের রয়েছে এক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ড্রাগ মানে ঔষুধ যা রোগ নিরাময়ে ব্যাবহারিত হয়। কিন্তু এই ড্রাগের অপ্রয়োজনীয় কিংবা অপব্যবহারই সৃষ্টি করে আসক্তি বা আডিকশন।
মাদকাসক্তির প্রক্রিয়াঃ
মানুষ বড় জটিল প্রানী।বিচিত্র মানুষের রূপ। মানুষ কত কিছুই করে জেনেই বা না জানে। খারাপ চরিত্রের মানুষ যেমন মাদকাসক্ত হয় সহজেই। তেম্নি ভালো মানুষ ও এর কবলে পড়তে পারে। মানুষ প্রধানত ৩ ভাবে মাদকাসক্ত হয়। যথা-
*মানসিক কারনে
*সামাজিক কারনে
*জৈবিক কারনে।
মাদকাসক্তির সম্ভাব্য কারনসমূহঃ
*অপরিনত মন- ওষুধ গ্রহনের ফলাফল বুজতে না পারা।
*ব্যক্তিত্ব- ব্যাক্তিত্তের অভাব কিংবা ত্রুটি।
*অবহেলা - সন্তানেরা প্রতি মা-বাবার মায়া-মমতার অভাব
*জীবনের উউদ্দেশ্যহীনতা।
মাদকের প্রতি কৌতুহল!!
সাময়িক উত্তজেনা, নতুন স্বাদ ও অভিজ্ঞতা লাভের আকাংক্ষা। যেমনঃ
*ধূমপানের বদভ্যাস
*ধর্মীয় উদাসীনতা -পরিবার ও ব্যাক্তি জীবনে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অভাব থাকা
*বিষন্নতা,দুশ্চিন্তা, দুর্ভাবনা,উথকন্ঠা ইত্যাদির উপষম করতে অথবা কোন দূরহ মানসিক সমস্যাকে ভুলে যেতে কিংবা কঠিন বাস্তব থেকে সাময়িক ভাবে নিজেকে দূরে রাখতে।
*প্রচলিত সামাজিক রীতি-নীতি ও মুল্যবোধের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রবনতা।
*পারিপার্শ্বিক চাপ সংগ দোষ-বন্ধু বান্ধবের ওশোৎ প্রলোভন ও প্ররোচান।
*নতুনত্বের কামনা-নতুনের প্রতি ঝোক ও রোমান্সকর অভিজ্ঞতা পাওয়ার তীব্র বাসনা
*হতাশা বোধ এবং ব্যাক্তিগত দ্বন্ধ কলহ,মনোমালিন্য, অশান্তি ইত্যাদি
*প্রেমে বিচ্ছেদ-প্রিয়জনের সাথে বিচ্ছেদ বা ভালোবাসায় ব্যার্থ হলে
*আল্ট্রামডার্ন হওয়া -তথাকতিত অতি আধুনিক হওয়ার প্রবনতা ও মাত্রাতিরিক্ত অনুকরণ প্রবনতা
*মাদকদ্রব্য এর সহজপ্রাপ্যতা ও সহজলভ্যতা
*বেকারত্ব আর্থসামাজিক অস্থিরতা এবং বিশৃঙ্খলা
*মাদকের কুফল সম্বন্ধে অজ্ঞতা
*চিত্তবিনোদন এর জন্য বা আমোদ প্রমদে উত্তেজনা বাড়ানোর উউদ্দেশ্য
*শৈশবের অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে যথেষ্ঠ প্রভাব বিস্তারের কারনে।
*সন্তানের সাম্নে মা-বাবার উচ্ছৃঙ্খল আচরন ও ঝগড়া -ঝাটি করা
*সন্তানের দায়িত্ব
মাদক দ্রব্য কি?
উঃ সাধারনত যে সকল দ্রব্য সামগ্রী গ্রহন বা
ব্যাবহার করলে নেশা সৃষ্টি হয় তাকে মাদক দ্রব্য বলে।অন্য কথায় যেসব দ্রব্য
মস্তিষ্কের উপর বিরূপ ক্রিয়া করে আচরনের অনাকাং্খিত পরিবর্তনন ঘটায় এবং যা
বিভ্রান্তি ও নেশা সৃষ্টিকারী এবং চিত্তবিভ্রমকারী সেগুলোই হলো মাদক
দ্রব্য।মাদক দ্রব্যের প্রকারভেদঃ
*প্রাকৃতিক মাদক দ্রব্য ও
*রাসায়নিক মাদক দ্রব্য।
*প্রাকৃতিক মাদক দ্রব্যঃ
প্রাকৃতিক উপায়ে যে সমস্ত মাদক দ্রব্য উতপন্ন হয় তাই প্রাকৃতিক মাদকদ্রব্য। প্রাকৃতিক মাদকদ্রব্য প্রধানত গাছ-গাছড়া থেকে পাওয়া যায় যেমন -আফিম, তাড়ি,গাজা ইত্যাদি।
রাসায়নিক মাদকদ্রব্য ঃ
পরিক্ষাগারে রারসায়নিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ার মাধ্যমে যে মাদক দ্রব্য উতপন্ন করা হয় সেগুলোই হল রাসায়নিক মাদক দ্রব্য।রাসায়নিক মাদক দ্রব্য প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপন্ন মাদক দ্রব্যের ছেয়ে বেশী নেশা সৃষ্টিকরে।যেমনঃ হেরোইন, প্যাথেডিন, মদ,এল এস ডি ইত্যাদি।
মাদকাসক্তি কাকে বলে?
মাদকদ্রব্য মাযে মধ্যে বা নিয়মিত সেবন বা গ্রহনের ফলে যেসব মানসিক ও শারীরীক নির্ভরতা সৃষ্টি হয় ও ক্রমাগত সেই দ্রব্যের প্রতি তীব্র আকর্ষণ ও গ্রহনের মাত্রা বা ডোজ বৃদ্ধি পেতে থাকে সেই অবস্থা কেই মাদকাসক্তি বলা হয়। মাদকাসক্তি যে কত তীব্রভাবে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি, ব্যাক্তিত্য ও ইচ্ছাশক্তির ক্ষতি সাধন করতে পারে তা কল্পনা করলে ও গা শিঊরে উঠবে।মাদকাসক্তি সম্ভাবনাময় সৃজনশীল কর্মচঞ্চল মেধাবী তারুণ্যকে ধ্বংস করে দেয়। পুরো জাতিকে নিক্ষেপ করে এক ঘন কালো অন্ধকারে। মাদকাসক্তির সাথে ড্রাগের রয়েছে এক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ড্রাগ মানে ঔষুধ যা রোগ নিরাময়ে ব্যাবহারিত হয়। কিন্তু এই ড্রাগের অপ্রয়োজনীয় কিংবা অপব্যবহারই সৃষ্টি করে আসক্তি বা আডিকশন।
মাদকাসক্তির প্রক্রিয়াঃ
মানুষ বড় জটিল প্রানী।বিচিত্র মানুষের রূপ। মানুষ কত কিছুই করে জেনেই বা না জানে। খারাপ চরিত্রের মানুষ যেমন মাদকাসক্ত হয় সহজেই। তেম্নি ভালো মানুষ ও এর কবলে পড়তে পারে। মানুষ প্রধানত ৩ ভাবে মাদকাসক্ত হয়। যথা-
*মানসিক কারনে
*সামাজিক কারনে
*জৈবিক কারনে।
মাদকাসক্তির সম্ভাব্য কারনসমূহঃ
*অপরিনত মন- ওষুধ গ্রহনের ফলাফল বুজতে না পারা।
*ব্যক্তিত্ব- ব্যাক্তিত্তের অভাব কিংবা ত্রুটি।
*অবহেলা - সন্তানেরা প্রতি মা-বাবার মায়া-মমতার অভাব
*জীবনের উউদ্দেশ্যহীনতা।
মাদকের প্রতি কৌতুহল!!
সাময়িক উত্তজেনা, নতুন স্বাদ ও অভিজ্ঞতা লাভের আকাংক্ষা। যেমনঃ
*ধূমপানের বদভ্যাস
*ধর্মীয় উদাসীনতা -পরিবার ও ব্যাক্তি জীবনে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অভাব থাকা
*বিষন্নতা,দুশ্চিন্তা, দুর্ভাবনা,উথকন্ঠা ইত্যাদির উপষম করতে অথবা কোন দূরহ মানসিক সমস্যাকে ভুলে যেতে কিংবা কঠিন বাস্তব থেকে সাময়িক ভাবে নিজেকে দূরে রাখতে।
*প্রচলিত সামাজিক রীতি-নীতি ও মুল্যবোধের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রবনতা।
*পারিপার্শ্বিক চাপ সংগ দোষ-বন্ধু বান্ধবের ওশোৎ প্রলোভন ও প্ররোচান।
*নতুনত্বের কামনা-নতুনের প্রতি ঝোক ও রোমান্সকর অভিজ্ঞতা পাওয়ার তীব্র বাসনা
*হতাশা বোধ এবং ব্যাক্তিগত দ্বন্ধ কলহ,মনোমালিন্য, অশান্তি ইত্যাদি
*প্রেমে বিচ্ছেদ-প্রিয়জনের সাথে বিচ্ছেদ বা ভালোবাসায় ব্যার্থ হলে
*আল্ট্রামডার্ন হওয়া -তথাকতিত অতি আধুনিক হওয়ার প্রবনতা ও মাত্রাতিরিক্ত অনুকরণ প্রবনতা
*মাদকদ্রব্য এর সহজপ্রাপ্যতা ও সহজলভ্যতা
*বেকারত্ব আর্থসামাজিক অস্থিরতা এবং বিশৃঙ্খলা
*মাদকের কুফল সম্বন্ধে অজ্ঞতা
*চিত্তবিনোদন এর জন্য বা আমোদ প্রমদে উত্তেজনা বাড়ানোর উউদ্দেশ্য
*শৈশবের অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে যথেষ্ঠ প্রভাব বিস্তারের কারনে।
*সন্তানের সাম্নে মা-বাবার উচ্ছৃঙ্খল আচরন ও ঝগড়া -ঝাটি করা
*সন্তানের দায়িত্ব
তৃতীয় কোন ব্যাক্তির কাছে দিয়ে বাবা-মায়েদের স্বেচ্ছাচারীতা এবং সন্তান কে তার প্রাপ্য আদর -সোহাগ, ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করা
*পরিবারের সাথে কোন নেশাখোর ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা ও যাতায়াত থাকা
*যৌন স্বেচ্ছাচারিতা
*চরম আর্থিক অনটন
*মাতা-পিতার মাত্রাতিরিক্ত আদর-আস্কারা এসব বিভিন্ন কারনে মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে যেতে পারে।এ বিষয়ে আরো চলতে থাকবে....
*পরিবারের সাথে কোন নেশাখোর ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা ও যাতায়াত থাকা
*যৌন স্বেচ্ছাচারিতা
*চরম আর্থিক অনটন
*মাতা-পিতার মাত্রাতিরিক্ত আদর-আস্কারা এসব বিভিন্ন কারনে মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে যেতে পারে।এ বিষয়ে আরো চলতে থাকবে....
No comments:
Post a Comment